হবিগঞ্জ প্রতিনিধি, বাংলার খবর
হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট–মাধবপুর) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত এমপি প্রার্থী ও সাংবাদিক অলিউল্লাহ নোমান বলেছেন, তিনি নেতা হতে আসেননি, বরং এলাকাবাসীর সেবক হিসেবে কাজ করতে চান। জনগণ যদি তাকে দাড়ি-পাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন, তাহলে চুনারুঘাট–মাধবপুরকে একটি আধুনিক ও উন্নত এলাকায় রূপান্তর করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাবেন।
বুধবার দুপুরে চুনারুঘাট উপজেলার মধ্যেবাজারে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অলিউল্লাহ নোমান বলেন, “ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে আমার জীবন বিসর্জনের মতো পরিস্থিতিতে ছিলাম। মানুষের সেবা করতে গিয়ে যদি জীবন দিতেও হয়, তাতেও আমি পিছপা হব না। আমাকে এখানে পাঠানো হয়েছে নেতা বানানোর জন্য নয়, বরং আপনাদের খাদিম হিসেবে খেদমত করার জন্য।”
তিনি আরও বলেন, “আন্তবর্তীকালীন সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন খুব শিগগিরই অনুষ্ঠিত হবে—আমরা আশা করছি দ্রুতই তফসিল ঘোষণা হবে। কেন্দ্রীয় পরিষদের অনুরোধে আমি এই আসনে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছি। আমার শিক্ষক ও জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মুখলিছুর রহমান দীর্ঘদিন এই আসনে কাজ করেছেন। তিনিই আমাকে সুযোগ দিয়েছেন প্রার্থী হওয়ার জন্য।”
বিগত সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “৫৪ বছরের বাংলাদেশে অনেক সরকার এসেছে। কিন্তু গত ১৫ বছরের শাসন ছিল দমন–পীড়ন, লুটপাট ও সন্ত্রাসে ভরপুর। সেই ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে লড়েই আজকের পরিবর্তনের সুযোগ এসেছে। দুর্নীতি–মুক্ত নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে জবাবদিহিমূলক রাজনীতির প্রয়োজন, আর সেই নীতির ধারক জামায়াতে ইসলামী।”
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর কাজী মাওলানা মুখলিছুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আমীর মাওলানা ইদ্রিছ আলী। এ ছাড়া জেলা–উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।